আজ | বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯
Search

সরফরাজকে অব্যাহতি

৯:৩১ অপরাহ্ন, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯

chahida-news-1571412709.jpg

পাকিস্তান ক্রিকেটের সময়টা ভালো যাচ্ছে না। বিশ্বকাপে সেমি-ফাইনালে উঠতে না পারার হতাশায় মুষড়ে পড়া পাকিস্তান দলকে হতাশ করেছিল দলের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদের নানা কাজকর্মও। মাঠে হাই তোলা বিতর্কে হাসির রোল পড়ে গিয়েছিল ক্রিকেট দুনিয়ায়। দেশটির সাবেক খেলোয়াড়েরাও এই বিতর্কে ছাড় দেয়নি তাকে। কথা তুলেছিলেন সরফরাজের ফিটনেস নিয়ে।

বিশ্বকাপের পর থেকেই সরফরাজকে অধিনায়ক পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অনেকে।

ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ না খোয়ালেও টি-টোয়েন্টির এক নম্বর দল হয়ে শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় সারির দলের কাছে হতে হয় হোয়াইটওয়াশ।

এরপর আগুনে ঘি ঢালার মতো অবস্থা। দেশটির সাবেক অধিনায়ক মিসবাহ উল হককে প্রধান কোচ ও প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব দেয়ার পর পুরনো খেলোয়াড়দের দলে ফেরানোর মহড়া দেখা গিয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

সবকিছু ছাপিয়ে অধিনায়ক ইস্যুটাই সামনে আনল পিসিবি। তিন ফরম্যাটে তিন অধিনায়ক নীতিতে হাঁটল পাকিস্তান।

ওয়ানডে দলের নেতৃত্বে সরফরাজ নাকি অন্য কেউ আসবে সেটা নির্ধারণ করা হয়নি এখনও। বাবর আজমকে দেয়া হয়েছে টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব এবং টেস্ট দলের অধিনায়ক করা হয়েছে আজহার আলীকে।

অধিনায়কত্বে দায়িত্ব পেয়ে আজহার আলী বলেন, পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হওয়ার চেয়ে বড় সম্মান আর কিছু নেই। আমি নিজেকে গর্বিত, উচ্ছ্বসিত এবং সুযোগ্য বোধ করছি।

উল্লেখ্য, উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান সরফরাজের নেতৃত্বে পাকিস্তান ১৩টি টেস্টের মধ্যে জিতেছে চারটি। ৩৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জয় পায় ২৯ টিতে। ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত ৩৫ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জয় পেয়েছে ২১টি ম্যাচে।

সরফরাজের নেতৃত্বেই পাকিস্তান ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। ১৯৯২ সালে ইমরান খানের পাকিস্তান বিশ্ব জয় করেছিল। তারপর সরফরাজের হাত ধরেই পাকিস্তান আইসিসির কোনও আন্তর্জাতিক আসরে সেরার খেতাব পায়।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন