আজ | মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০
Search

ভিপি নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

৫:৪৫ অপরাহ্ন, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

chahida-news-1600688757.jpg
ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন ঢাবির এক শিক্ষার্থী। গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর লালবাগ থানায় মামলাটি দায়ের করেন ওই ছাত্রী।

সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) বিপ্লব বিজয় তালুকদার গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লালবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে একজন হচ্ছেন-নুর।

মামলাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে বলেও জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার। এ ব্যাপারে ভিপি নুরের সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল ধরেননি।

এর আগে ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন চলাকালীন রোকেয়া হলের প্রভোস্টকে লাঞ্ছিত ও ভাঙচুরের অভিযোগে নুরুল হকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্যতম যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে আলোচনায় আসেন নুরুল হক নুর। তিনি ২০১৯ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন।

২০২০ সালের জুনে তরুণদের নেতৃত্বে একটা নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করার ব্যাপারে প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন নুর।

 ধর্ষণ মামলার বিষয়ে যা বললেন ভিপি নুর: ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি উদ্দেশ্যমূলক বলে মনে করছেন ডাকসু ভিপি নুরুল হক নূর। গণমাধ্যমে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, যিনি মামলা করেছেন তার সঙ্গে আমার কোনদিন দেখা হয়নি। দুই মাস আগে আমাকে ফোন দিয়ে সহযোগিতা চেয়েছেন যে কোন এক ছেলের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল, যেটি নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সে জন্য আমাকে ভূমিকা রাখতে বলা হয়। এরপর ফোন দেবে বলে আর কোন যোগাযোগ করেননি।

নূর বলেন, মামলার বাদী এক সময়ে ওই ছেলেটির পরিচয় দেয় আমাকে এবং বলে আমরা যেন ছেলেটিকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করি। কিন্তু আমি খোঁজ নিয়ে জানি ছেলেটির নাম নাজমুল সে আমাদের সংগঠনের কোন দায়িত্বে নেই। তবে সে আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতো।

তাই আমি অভিযোগকারীকে বলেছি সেতো আমাদের সংগঠনের কেউ না, পদেও নেই।

এরপর মেয়েটি বলে নজমুলসহ আরো একজনকে বহিষ্কার করতে হবে যে হচ্ছে আমাদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। কিন্তু আমি তাকে বলি সে তো আমাদের আহ্বায়ক। আমি আহ্বায়ককে কিভাবে বহিষ্কার করবো। আপনার সমস্যা মনে হলে আমি আইনগত সহযোগিতা করবো। বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলে অভিযোগে সহযোগিতা করবো। কিন্তু শেষে তিনি আর যোগাযোগ রাখেননি।

নুর বলেন, আমি মনে করি মামলাটি উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা। আর মেয়েটির বাড়ি ময়মনসিংহে। আমি যতটুকু জানতে পেরেছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন নেতা মেয়েটিকে টাকা পয়সা দিয়ে মামলা করতে উদ্ব্দ্ধু করেছেন।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন