আজ | শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯
Search

বেড়েছে পাশের হার ও জিপিএ-৫

১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, ১৭ জুলাই, ২০১৯

chahida-news-1563342485.jpg

উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এ বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে। সার্বিকভাবে পাস করেছে ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী।

এ বছর মোট পাস করেছে ১৩ লাখ ৬৬ হাজার ৬২৯ জন শিক্ষার্থী। সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন।

গড়ে এ বছর ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাশ করেছে। গত বছর (২০১৮ সালে) এ পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এবছর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ হাজার ৫৮৬ জন। গতবছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ২৬২ জন

সেই হিসাবে এবার উচ্চ মাধ্যমিকে পাসের হার বেড়েছে ৭ দশমিক ২৯ শতাংশ পয়েন্ট। আর জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৮ হাজার ২৪ জন।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বুধবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন।

বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এবারের ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরবেন শিক্ষামন্ত্রী। বেলা ১টা থেকে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (www.educationboardresults.gov.bd), নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও যে কোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে ফল জানতে পারবেন।

মোবাইলে যেভাবে মিলবে ফল

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd এ রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফল ডাউনলোড করা যাবে।

(http://www. educationboard.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন। বরাবরের মতোই যেকোনো মোবাইল থেকে এসএমএস করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ই-মেইলে কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠানের রেজাল্ট শিট (সফট কপি) পাওয়া যাবে।

পরীক্ষার্থীদের তালিকা অনুযায়ী, এ বছর ৯ হাজার ৮১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ ছাত্র ও ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ ছাত্রী।

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ১ এপ্রিল। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৩০৯ জন।

এর মধ্যে আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৫০ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৭৮ হাজার ৪৫১ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে এক লাখ ২৪ হাজার ২৬৫ জন। মোট কেন্দ্র সংখ্যা দুই হাজার ৫৮০টি। পরীক্ষা শেষ হয় ১২ মে। আর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন