আজ | রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০
Search

মসজিদুল আকসা বন্ধ ঘোষণা

চাহিদা নিউজ ডেস্ক | ৯:১৯ অপরাহ্ন, ১৫ মার্চ, ২০২০

chahida-news-1584285586.jpg

বিশ্বজুড়ে মহামারি রূপ ধারণ করা করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে মুসলমানদের প্রথম কিবলা ও তৃতীয় পবিত্র স্থান আল-আকসা মসজিদ। সাবধানতার অংশ হিসেবেই রোববার (১৫ মার্চ) জেরুজালেমের ওয়াকফ কমিটি এ সিদ্ধান্ত নেয় বলে জানিয়েছে ডেইলি সাবাহ।

ওয়াকফ কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হলেও ইবাদত ও নামাজের জন্য আপাতত মসজিদের বাইরের অংশ উন্মুক্ত থাকবে।

এ বিষয়ে মসজিদটির পরিচালক ওমর কিসওয়ানি জানিয়েছেন, করোনা ভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধে সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত মসজিদের ভেতরে নামাজের স্থানগুলো বন্ধ থাকবে।

এদিকে, মহামারি আকার ধারণ করা করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধ না হওয়া পর্যন্ত নাগরিকদের ঘরে বসে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

দেশটির ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনগণ যেন নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ কমিয়ে ফেলে। যতটা সম্ভব জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনের জনগণকে ঘরে বসে প্রার্থনার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফিলিস্তিনে করোনা আক্রান্তের কোনও খবর পাওয়া না গেলেও ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে ইসরাইলে। দেশটির পশ্চিম তীরে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০০ জনে। তবে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে এরইমধ্যে দেশটিতে শতাধিক মানুষের যেকোন ধরণের সামাজিক সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে, বিশ্বের অন্তত ১১৫টি দেশে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতি এ ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে মারা গেছেন ৪২৫ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫ হাজার ৩৭৩ জনের। বর্তমানে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১ লাখ প্রায় ৪১ হাজার মানুষ।

ভাইরাসটিতে মূলভূখন্ড চীনে অপরিবর্তীত রয়েছে মৃতের সংখ্যা। সেখানে শুক্রবার পর্যন্ত মারা গেছেন ৩ হাজার ১৭৬ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৮১৩।

অপরদিকে, চীনের বাহিরে মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্য। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা ইতালিতে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নতুন করে আরও ২৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের দিন ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়। এরও আগের দিন ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৬৬ জনের প্রাণহানি ঘটল। যা উৎপত্তিস্থল চীনের বাহিরে সর্বোচ্চ।

  

আপনার মন্তব্য লিখুন