আজ | রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০
Search

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার!

৭:৫০ অপরাহ্ন, ১৩ মার্চ, ২০২০

chahida-news-1584107456.jpg

করোনায় কাঁপছে বিশ্বের অন্তত ১১৪টি দেশ। যেখানে আক্রান্ত হয়েছেন দেড় লাখেরও বেশি মানুষ। উৎপত্তিস্থল চীনে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশগুলোতে।

কার্যত বিশ্ব এখন অর্থনীতির পাশাপাশি বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থায়। প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়ায় প্রতিনিয়ত দীর্ঘ হচ্ছে লাশের মিছিল। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আক্রান্ত দেশগুলোর যখন ঘুম হারাম ঠিক এমন সময়ে সুখবর দিয়েছে কানাডার বিজ্ঞানীরা।

আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে প্রাণঘাতি ভাইরাসটির প্রতিষেধক আবিষ্কারে সফল হওয়ার দাবি করেছে দেশটির একদল বিজ্ঞানী। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে কানাডার একটি ওষুধ কোম্পানির বিজ্ঞানীরা করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করেছে। তবে তা বাজারে আসতে চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মেডিকাগো নামের কানাডিয়ান ওই কোম্পানিটির বিজ্ঞানীরা ‘অবশেষে আমরা প্রতিষেধক পেয়ে গেছি’ বলে উচ্ছ্বসিত ঘোষণা দিয়েছেন। যদি তাদের উদ্ভাবিত এই প্রতিষেধক এফডিএ’র অনুমোদন পায় তাহলে প্রতি মাসে এক কোটি ডোজ প্রতিষেধক উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে তারা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা গ্লোবান নিউজ এ খবর জানিয়েছে।

কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসের জিনম সিকুয়েন্স পাওয়ার মাত্র ২০ দিন পরেই প্রতিষেধক আবিষ্কারে এই সফলতা দেখিয়েছে কোম্পানিটি। প্রতিষেধক আবিষ্কারে তারা স্বতন্ত্র কিছু টেকনোলজি ব্যবহার করেছেন। শিগগিরই তারা এটি এফডিএ অনুমোদনের জন্য জমা দেবেন। অনুমোদন পেলেই বাজারে ছাড়া হবে।

মেডিকাগোর সিইও ব্রুস ক্লার্ক বলেছেন যে, ‘তার সংস্থা মাসে এক কোটি ডোজ পরিমাণ প্রতিষেধক উৎপাদন করতে পারে। যদি নিয়ন্ত্রক বাঁধাগুলি দূর করা যায় তবে নভেম্বরে এই ভ্যাকসিন বাজারে পাওয়া যাবে।’

এদিকে একইদিনে ইসরাইলের একটি গবেষণা ল্যাবও করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক আবিষ্কারের দাবি করেছে। তবে ক্লার্ক বলছেন, তার কোম্পানির আবিষ্কৃত প্রতিষেধক এরই মধ্যে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। এটি আরও নির্ভরযোগ্য এবং সহজে উৎপাদন সম্ভব।

তিনি বলেন, ‘আরও কয়েকজন আছেন যারা দাবি করছেন যে প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছেন। এটা ভাল আমরা তাদেরও কোভিড-১৯’র জন্য ভ্যাকসিন বাজারজাত করতে বলব। তবে তারা ভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। এরমধ্যে কিছু আছে আরএনএ- বা ডিএনএ ভিত্তিক ভ্যাকসিন। এখনও এগুলোর কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়নি। আশা করি তারা সফল হবেন।’

  

আপনার মন্তব্য লিখুন